জয়পুরহাট-২ আসনে তারেক রহমান এর পক্ষে অনুদান দিলেন ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর ইসলাম সিআইপি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে মাঠপর্যায়ে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এরই ধারাবাহিকতায় সোম, মঙ্গল ও বুধবার জয়পুরহাট-২ আসনের (কলাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) বৈরী আবহাওয়া উপক্ষো করে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে পরিদর্শন ও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান করেন। বিএনপি (ধানের শীষ) মনোনয়ন প্রত্যাশী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) সদস্য, অ্যাব নেতা, তরুণ উদ্যোক্তা, বিশিষ্ট সমাজসকবক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর ইসলাম সিআইপি।শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় বৈরী আবহাওয়া উপক্ষো করে বিভিন্ন মণ্ডপে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর ইসলাম ভক্তবৃন্দ ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি পূজার সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।তিনি বলেন, “বাংলাদেশ হচ্ছে সব ধর্মের মানুষের দেশ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হলো ধর্মীয় সহাবস্থান ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।”পরিদর্শন শেষে বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির হাতে তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান করেন। এতে উপস্থিত পূজার আয়োজক ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ প্রকাশ করে তাকে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু আর্থিক দিক থেকে নয়, বরং মনোবল ও উৎসাহ যোগায়।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা । তারা বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর ইসলামের এই উদ্যোগ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া দিকনির্দেশনার বাস্তব প্রতিফলন। জনগণের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির মূল রাজনীতি, এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা তারই অংশ।আক্কেলপুর রেলকলোনী দূর্গা মন্দির উৎযাপন কমিটির সভাপতি রাজু মন্ডল বলেন, জনপ্রতিনিধিরা এভাবে পাশে থাকলে উৎসব আরও আনন্দঘন হয়ে ওঠে। স্থানীয় ভক্ত-অনুরাগীরাও তাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে সার্বজনীন উৎসবগুলোতে এভাবে পাশে থাকার আহ্বান জানান।একজন সাধারণ পূজারি বলেন, “রাজনীতির বাইরে দাঁড়িয়ে একজন জনপ্রতিনিধি যদি আমাদের উৎসবে অংশ নেয় এবং সহযোগিতা করে, তাহলে আমাদের মনোবল দ্বিগুণ হয়। এটি সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ।”বিএনপির পক্ষ থেকে সারাদেশে পূজা মণ্ডপে পরিদর্শন, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ এখন নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ যা দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি, সহনশীলতা ও বহুত্ববাদী চেতনা শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।