ফেনীর সোনাগাজীতে অভিযান চলাকালে পুলিশকে পিটিয়ে একটি অস্ত্র ও ওয়াকি-টকি ছিনিয়ে নিয়েছে আসামী এবং তার স্বজনরা।
মঙ্গলবার ( ৭ অক্টোবর) দুপুরে ছিনিয়ে নেয়া অস্ত্র ও ওয়াকি-টকিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন বিকালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আহম্মদপুর গ্রামে অভিযানকালে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এদিন ভোর ৫টার দিকে সোনাগাজী মডেল থানার এএসআই সাইদুর রহমান ও মোফাজ্জল হোসেন নেতৃত্বে উপজেলার পশ্চিম আহম্মদপুর গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম রিপন (৪০) ও রফিকুল ইসলাম আরিফ (৩৫)কে ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ।
এ সময় রিপন ও তার স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের সাথে ধস্তাধস্তি করে এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে ধৃত রিপন, একটি র্শটগান ও একটি ওয়াকি-টকি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানা ও ফেনী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেন।
রিপনের বোন রোকসানা আক্তার বলেন, আমার ভাই জাহিদুল ইসলামকে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাড়ীতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, ঘরের দরজায় লাথি মেরে ভেতরে ডুকে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে প্রতিবাদ করায় আমার অবিবাহিত বোন সুইটি আক্তার ও আরিফের স্ত্রী বিবি জয়নবকে আটক করে। এসময় আমার বৃদ্ধা মাকে হুমকি -ধমকি দিলে বাড়ীর লোকজন বের হয়। এক পর্যায়ে আমার ভাই পুলিশের উপস্থিতি কারন জানতে চায় এবং তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই বলে জানান।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় দুই এএসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম রিপনকে গ্রেফতার ও হামলার ঘটনায় দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। লুন্ঠিত অস্ত্র ও ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।
অস্ত্র ও আসামি ছিনিয়ে নেয়া এবং পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করে ধৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৫
ফেনীর সোনাগাজীতে অভিযান চলাকালে পুলিশকে পিটিয়ে একটি অস্ত্র ও ওয়াকি-টকি ছিনিয়ে নিয়েছে আসামী এবং তার স্বজনরা।
মঙ্গলবার ( ৭ অক্টোবর) দুপুরে ছিনিয়ে নেয়া অস্ত্র ও ওয়াকি-টকিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন বিকালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আহম্মদপুর গ্রামে অভিযানকালে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এদিন ভোর ৫টার দিকে সোনাগাজী মডেল থানার এএসআই সাইদুর রহমান ও মোফাজ্জল হোসেন নেতৃত্বে উপজেলার পশ্চিম আহম্মদপুর গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম রিপন (৪০) ও রফিকুল ইসলাম আরিফ (৩৫)কে ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ।
এ সময় রিপন ও তার স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের সাথে ধস্তাধস্তি করে এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে ধৃত রিপন, একটি র্শটগান ও একটি ওয়াকি-টকি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানা ও ফেনী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেন।
রিপনের বোন রোকসানা আক্তার বলেন, আমার ভাই জাহিদুল ইসলামকে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাড়ীতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, ঘরের দরজায় লাথি মেরে ভেতরে ডুকে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে প্রতিবাদ করায় আমার অবিবাহিত বোন সুইটি আক্তার ও আরিফের স্ত্রী বিবি জয়নবকে আটক করে। এসময় আমার বৃদ্ধা মাকে হুমকি -ধমকি দিলে বাড়ীর লোকজন বের হয়। এক পর্যায়ে আমার ভাই পুলিশের উপস্থিতি কারন জানতে চায় এবং তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই বলে জানান।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় দুই এএসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম রিপনকে গ্রেফতার ও হামলার ঘটনায় দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। লুন্ঠিত অস্ত্র ও ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।
অস্ত্র ও আসামি ছিনিয়ে নেয়া এবং পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করে ধৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন