রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার দুর্গম ফকিরাছড়ি এলাকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৪তম শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব। রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ফকিরাছড়ি বন বিহার প্রাঙ্গণে ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ভিক্ষু ও উপাসক-উপাসিকাদের অংশগ্রহণে উৎসবের সূচনা হয়।
এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান, সংঘদান ও পূণ্যলাভের নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিহার প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জনাব দীপেন দেওয়ান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফকিরাছড়ি বন বিহারের আবাসিক অধ্যক্ষ শ্রীমৎ দেবগুপ্ত স্থবির ভান্তে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং রাঙামাটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মিসেস মৈত্রী চাকমা, জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানস মুকুর চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবু রনেল দেওয়ান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন, জুরাছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাদন চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন জ্যোতি চাকমা, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আল আমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাহুল চাকমা, ফকিরাছড়ি বাজারের চৌধুরী ও হেডম্যান সম্রাট চাকমা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান বলেন, “কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পূণ্যদান। এই মহৎ দান শুধু ধর্মীয় নয়, সামাজিক ঐক্য ও সহাবস্থানের প্রতীক। বৌদ্ধ সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবতার বার্তা প্রচার করে আসছে। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে, এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বিএনপির রাষ্ট্রগঠনের ৩১ দফা সেই লক্ষ্যেই প্রণীত, যাতে সবার অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়।”
উৎসব উপলক্ষে হাজারো ধর্মপ্রাণ উপাসক-উপাসিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ফকিরাছড়ি এলাকা পরিণত হয় ধর্মীয় মিলনমেলায়।
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার দুর্গম ফকিরাছড়ি এলাকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৪তম শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব। রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ফকিরাছড়ি বন বিহার প্রাঙ্গণে ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ভিক্ষু ও উপাসক-উপাসিকাদের অংশগ্রহণে উৎসবের সূচনা হয়।
এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান, সংঘদান ও পূণ্যলাভের নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিহার প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জনাব দীপেন দেওয়ান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফকিরাছড়ি বন বিহারের আবাসিক অধ্যক্ষ শ্রীমৎ দেবগুপ্ত স্থবির ভান্তে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং রাঙামাটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মিসেস মৈত্রী চাকমা, জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানস মুকুর চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবু রনেল দেওয়ান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন, জুরাছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাদন চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন জ্যোতি চাকমা, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আল আমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাহুল চাকমা, ফকিরাছড়ি বাজারের চৌধুরী ও হেডম্যান সম্রাট চাকমা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান বলেন, “কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পূণ্যদান। এই মহৎ দান শুধু ধর্মীয় নয়, সামাজিক ঐক্য ও সহাবস্থানের প্রতীক। বৌদ্ধ সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবতার বার্তা প্রচার করে আসছে। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে, এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বিএনপির রাষ্ট্রগঠনের ৩১ দফা সেই লক্ষ্যেই প্রণীত, যাতে সবার অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়।”
উৎসব উপলক্ষে হাজারো ধর্মপ্রাণ উপাসক-উপাসিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ফকিরাছড়ি এলাকা পরিণত হয় ধর্মীয় মিলনমেলায়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন