চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহন প্রবেশ ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করা হওয়ার পর আন্তঃজেলা কনটেইনার পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বন্দর এলাকায় কোনো ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা ট্রেইলার প্রবেশ করছে না। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে ট্রেইলার মালিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর অফিস আদেশে নতুন ফি নির্ধারণ করে ৫৭.৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ও ৩০ টাকা ভ্যাটসহ মোট ২৩০ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবহন মালিকরা বলছেন, এই বাড়তি ফি তাদের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হয়েছে।
cambrian school – 400x300_Mobile
ফলে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস স্বাভাবিক থাকলেও কনটেইনার জমতে শুরু করেছে। বন্দরে এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে পণ্য খালাস ও ডেলিভারিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, এটি ধর্মঘট নয়, মালিকেরা স্বেচ্ছায় গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। ৫৭ টাকার গেট পাস ২৩০ টাকা করা অযৌক্তিক। নতুন ফি চালু হলে নির্দিষ্ট লাইন খরচের হিসাব মিলছে না।
বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোর সংগঠন বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পণ্য সময়মতো জাহাজে না ওঠায় ক্রেতার কাছে পৌঁছতে বিলম্ব হবে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দর কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহন প্রবেশ ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করা হওয়ার পর আন্তঃজেলা কনটেইনার পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বন্দর এলাকায় কোনো ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা ট্রেইলার প্রবেশ করছে না। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে ট্রেইলার মালিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর অফিস আদেশে নতুন ফি নির্ধারণ করে ৫৭.৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ও ৩০ টাকা ভ্যাটসহ মোট ২৩০ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবহন মালিকরা বলছেন, এই বাড়তি ফি তাদের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হয়েছে।
cambrian school – 400x300_Mobile
ফলে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস স্বাভাবিক থাকলেও কনটেইনার জমতে শুরু করেছে। বন্দরে এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে পণ্য খালাস ও ডেলিভারিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, এটি ধর্মঘট নয়, মালিকেরা স্বেচ্ছায় গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। ৫৭ টাকার গেট পাস ২৩০ টাকা করা অযৌক্তিক। নতুন ফি চালু হলে নির্দিষ্ট লাইন খরচের হিসাব মিলছে না।
বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোর সংগঠন বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পণ্য সময়মতো জাহাজে না ওঠায় ক্রেতার কাছে পৌঁছতে বিলম্ব হবে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দর কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন