চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবহন মালিক–শ্রমিকদের চার দিনের ধর্মঘট অবসান হয়েছে। বর্ধিত গেট পাস ফি প্রত্যাহারের আশ্বাস পেয়ে রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে তারা ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেন। সন্ধ্যার পর থেকে কনটেইনারবাহী যানবাহন বন্দরে প্রবেশ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব চৌধুরী জাফর আহমেদ জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ আগের হারেই গেটপাস ফি চালু রাখতে রাজি হয়েছে। ফলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, “গেটপাস ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আমরা নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়কে পূর্বের হার বহাল রাখার সুপারিশ করব। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো হারেই ফি আদায় করা হবে।”
গেটপাস জনিত অচলাবস্থা কাটলেও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। বন্দর সেবামাশুল গড়ে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে রোববার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। তারা জানিয়েছে, দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন একই সময়ে আংশিক কর্মবিরতি চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি বন্দর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কাস্টমস হাউসে কর আদায়ের কাজ স্বাভাবিক থাকলেও বন্দর এলাকায় প্রতিদিন চার ঘণ্টা কোনো কার্যক্রমে অংশ নেব না।”
গেটপাস ফি ৫৭ টাকা থেকে ৩০০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৩০ টাকা নির্ধারণ করায় পরিবহন মালিক–শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করেন। অন্যদিকে বন্দরের সেবা মাশুল ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিএন্ডএফ কর্মচারীরা সকাল-বিকেল আংশিক কর্মবিরতি চালু করেন।
পরিবহন বন্ধ থাকায় জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও ডেলিভারি ও দেশব্যাপী পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়। ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন ব্যবসায়ীরা।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর বন্দরের নতুন মাশুলের গেজেট প্রকাশ হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়। ব্যবসায়ী মহলের অভিযোগ—বিদেশি অপারেটরদের সুবিধা দিতে এই মাশুল বাড়ানো হয়েছে।
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবহন মালিক–শ্রমিকদের চার দিনের ধর্মঘট অবসান হয়েছে। বর্ধিত গেট পাস ফি প্রত্যাহারের আশ্বাস পেয়ে রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে তারা ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেন। সন্ধ্যার পর থেকে কনটেইনারবাহী যানবাহন বন্দরে প্রবেশ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব চৌধুরী জাফর আহমেদ জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ আগের হারেই গেটপাস ফি চালু রাখতে রাজি হয়েছে। ফলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, “গেটপাস ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আমরা নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়কে পূর্বের হার বহাল রাখার সুপারিশ করব। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো হারেই ফি আদায় করা হবে।”
গেটপাস জনিত অচলাবস্থা কাটলেও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। বন্দর সেবামাশুল গড়ে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে রোববার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। তারা জানিয়েছে, দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন একই সময়ে আংশিক কর্মবিরতি চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি বন্দর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কাস্টমস হাউসে কর আদায়ের কাজ স্বাভাবিক থাকলেও বন্দর এলাকায় প্রতিদিন চার ঘণ্টা কোনো কার্যক্রমে অংশ নেব না।”
গেটপাস ফি ৫৭ টাকা থেকে ৩০০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৩০ টাকা নির্ধারণ করায় পরিবহন মালিক–শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করেন। অন্যদিকে বন্দরের সেবা মাশুল ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিএন্ডএফ কর্মচারীরা সকাল-বিকেল আংশিক কর্মবিরতি চালু করেন।
পরিবহন বন্ধ থাকায় জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও ডেলিভারি ও দেশব্যাপী পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়। ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন ব্যবসায়ীরা।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর বন্দরের নতুন মাশুলের গেজেট প্রকাশ হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়। ব্যবসায়ী মহলের অভিযোগ—বিদেশি অপারেটরদের সুবিধা দিতে এই মাশুল বাড়ানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন