ফেনীতে পৃথক স্থান থেকে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ফাজিলপুর রেললাইন সলগ্ন এলাকা, ইসলামপুর রোডের নাদিয়া হোটেল ও মতিগঞ্জের ভোয়াগ এলাকা থেকে এ তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানাগেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর রেললাইন এলাকায় অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে পুলিশ ফেনীর ইনচার্জ দীপক দেওয়ান। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত যুবকের মাথায় কাটা জখম রয়েছে, ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে রেলের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে অথবা তিনি নিজে নিজে পড়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফেনী শহরের ইসলামপুর রোডের নাদিয়া হোটেলে খালেদ মাহমুদ (৩০) নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি শহরের এসএসকে সড়কের সিঙ্গার সার্ভিস সেন্টারের কর্মচারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সকালে ওই হোটেলে নাস্তা করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মারা যান। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার রাজবাড়ি গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। নিহতের স্বজন আব্দুর রশিদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া, এদিন দুপুরে সোনাগাজী উপজেলার ভোয়াগ গ্রামে গাছের নিচে চাপা পড়ে নিহত হন মোহাম্মদ মুসা (৩৪) নামে এক যুবক। তিনি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি থানার কালিদহ গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
সোনাগাজী থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, মুসা নিজেই গাছ কাটার সময় একটি বড় গাছের নিচে চাপা পড়েন। উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
তিনজনের মরদেহ ফেনীর ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেব উদ্দিন নিলয়।
এসব মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
ফেনীতে পৃথক স্থান থেকে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ফাজিলপুর রেললাইন সলগ্ন এলাকা, ইসলামপুর রোডের নাদিয়া হোটেল ও মতিগঞ্জের ভোয়াগ এলাকা থেকে এ তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানাগেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর রেললাইন এলাকায় অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে পুলিশ ফেনীর ইনচার্জ দীপক দেওয়ান। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত যুবকের মাথায় কাটা জখম রয়েছে, ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে রেলের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে অথবা তিনি নিজে নিজে পড়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফেনী শহরের ইসলামপুর রোডের নাদিয়া হোটেলে খালেদ মাহমুদ (৩০) নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি শহরের এসএসকে সড়কের সিঙ্গার সার্ভিস সেন্টারের কর্মচারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সকালে ওই হোটেলে নাস্তা করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মারা যান। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার রাজবাড়ি গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। নিহতের স্বজন আব্দুর রশিদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া, এদিন দুপুরে সোনাগাজী উপজেলার ভোয়াগ গ্রামে গাছের নিচে চাপা পড়ে নিহত হন মোহাম্মদ মুসা (৩৪) নামে এক যুবক। তিনি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি থানার কালিদহ গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
সোনাগাজী থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, মুসা নিজেই গাছ কাটার সময় একটি বড় গাছের নিচে চাপা পড়েন। উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
তিনজনের মরদেহ ফেনীর ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেব উদ্দিন নিলয়।
এসব মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
.png)
আপনার মতামত লিখুন