সুরক্ষিত ভবনেই হত্যা করা হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবার ভোরে শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করার সময়ই তাকে হত্যা করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, খামেনি মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি। ২০২৫ সালের জুনে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়ও ঝুঁকিতে ছিলেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। হামলার পরপরই তাকে নিরাপদ বাঙ্কারে সরিয়ে নিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সদস্যরা। এবারও একইভাবে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল খামেনিকে, তবে শেষ রক্ষা হলো না। শনিবার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ধসে পড়েছে এবং এর চারপাশ কালো হয়ে গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের একটি দীর্ঘ যুগের অবসান হলো। ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক ত্রিতা পারসি বলেন, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ৪৭ বছরের একটি যুগকে ধ্বংস করার শামিল। এই আক্রমণের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকলেও খামেনির মৃত্যু ইরানের মনোবল ভাঙার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, খামেনির মৃত্যুতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে।
ত্রিতা পারসি আরও বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি কেবল রাষ্ট্রপ্রধানই ছিলেন না, তিনি একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বও ছিলেন। শিয়া মুসলিম বিশ্বে তার বিশেষ গুরুত্ব ছিল। লেবানন, ইরাক, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানেও তার অনুসারী রয়েছে। এ কারণে এই অঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।’
এদিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়াতে পারেননি খামেনি। কোনো ধরনের প্রতিরোধ গড়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
.png)
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
সুরক্ষিত ভবনেই হত্যা করা হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবার ভোরে শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করার সময়ই তাকে হত্যা করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, খামেনি মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি। ২০২৫ সালের জুনে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়ও ঝুঁকিতে ছিলেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। হামলার পরপরই তাকে নিরাপদ বাঙ্কারে সরিয়ে নিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সদস্যরা। এবারও একইভাবে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল খামেনিকে, তবে শেষ রক্ষা হলো না। শনিবার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। ছবিতে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি ধসে পড়েছে এবং এর চারপাশ কালো হয়ে গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের একটি দীর্ঘ যুগের অবসান হলো। ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক ত্রিতা পারসি বলেন, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ৪৭ বছরের একটি যুগকে ধ্বংস করার শামিল। এই আক্রমণের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকলেও খামেনির মৃত্যু ইরানের মনোবল ভাঙার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, খামেনির মৃত্যুতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে।
ত্রিতা পারসি আরও বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি কেবল রাষ্ট্রপ্রধানই ছিলেন না, তিনি একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বও ছিলেন। শিয়া মুসলিম বিশ্বে তার বিশেষ গুরুত্ব ছিল। লেবানন, ইরাক, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানেও তার অনুসারী রয়েছে। এ কারণে এই অঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।’
এদিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়াতে পারেননি খামেনি। কোনো ধরনের প্রতিরোধ গড়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন